নারী দলের সাফল্যের কারিগর শেখ হাসিনা পাশে ছিল এএফসি


Nayem Khan প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২, ২:১০ পূর্বাহ্ন /
নারী দলের সাফল্যের কারিগর শেখ হাসিনা পাশে ছিল এএফসি

মেয়েদের দল সাফ চ্যাম্পিয়ন।যেখানে বহু প্রতিকূলতা ডিঙিয়েও বাংলাদেশের মেয়েরা বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ সহ বিভিন্ন ছোট পর্যায়ের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করে দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

সাফ চ্যাম্পিয়ন পর সবার যেভাবে ঘুম ভেঙেছে সেই ঘুম জাগিয়ে রাখতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে।বাংলাদেশ মহিলা দলের আজকের সাফল্য একদিনের পরিকল্পিত না।এই দলটি বিগত ৭,৮ বছর ধরে একসাথে ক্যাম্পে থাকার জন্য আজকের অর্জন।দলটি পিছনে এএফসি অবদান অনেক বেশি ছিল।অর্থনৈতিক সাপোর্ট ফিফা ও এএফসি থেকে দীর্ঘদিন ধরে মহিলা দলের জন্য ছিল। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন মহিলা দল নিয়ে কোন কালেই ব্যস্ত ছিল না।মেয়েদের খেলাধুলার উৎসাহিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত উৎসাহ ও অনুপ্রেরণার জন্য নারী দল সাফ চ্যাম্পিয়ন।
আজকের জাতীয় নারী দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড় বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ও স্কুল পর্যায়ের থেকে উঠে আসা।

তাদের স্কিল ও মনোমুগ্ধকর খেলা দেখে ফিফা ও এএফসি বাংলাদেশ নারী দলের পাশে ছিল।

মহিলা দলের প্রতি একমাত্র অবদান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিফা এবং এএফসি।

বাংলাদেশের মেয়েদের সাধারণত যে সমস্যা গুলো দেখা দেয় তাদের মধ্যে অন্যতম সমস্যা হচ্ছে পারিবারিক ও সামাজিক বাধাগ্রস্ত হওয়া থেকে মেয়েদের রক্ষা করতে হবে।বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট মাধ্যমে মেয়েদের অনুপ্রাণিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে মাঠে উপস্থিত হয়ে মেয়েদের খেলা উপভোগ করেছেন।

মেয়েদের উৎসাহিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিতে হবে।তাহলে মেয়েদের পারিবারিক বাধা কম হবে।

ছোট পরিসরে হলেও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন মেয়েদের টুর্নামেন্ট করতে উদ্যোগ নিতে হবে।

মেয়েদের দলের জন্য দেশের বানিজ্যিক সকল প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা এগিয়ে আসতে হবে।

নিয়মিত লীগ চালু রাখতে হবে।বয়স ভিত্তিক দল গঠন করতে সব ক্লাবের এগিয়ে আসতে হবে।এব্যাপারে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর ক্লাবগুলোর উপর বাধ্যতামূলক করা দাবি জানাতে হবে যে,প্রত্যেক ক্লাবে মেয়েদের দল গঠন করতে হবে।

বাংলাদেশের মেয়েদের দলের জন্য ছোট পরিসরে ৩০,৩৫ হাজার টাকা মতো অন্তত মিনিমাম বেতনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।ক্লাব গুলোকে স্পনসর করতে আগ্রহী হতে হবে।নিয়মিত খেলা চলতে থাকলে এবং প্রত্যেক নারী দলের সদস্য যদি নিয়মিত ফ্যামিলির পাশে সাপোর্ট দিতে পারে তাহলে বাংলাদেশের নারীদের দাবিয়ে রাখা সম্ভব না।

প্রতি বছর লীগ চালানো জন্য ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের টুর্নামেন্ট জন্য ঢাকার বাহিরে বেশ কিছু ভেন্যু নির্ধারণ করতে হবে।তবেই বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নারী দলের জন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে।

আমার যতটুকু ধারণা মেয়েদের দলের প্রতি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের খুব একটা দায়িত্ব নিতে হয়নি।ছেলেদের দলের জন্য তো অনেক বড় মাপের জ্ঞানীদের জন্য দল উন্নত করতে পারে না।
১০ টাকা খরচ দেখিয়ে ৯০ টাকা চুরি করা হয়।যার জন্য উন্নতি দেখা দিচ্ছে না।বাফুফে যেহেতু মেয়েদের দিকে এখন নজর দিবে তাই সাবধানে রাখতে হবে আমাদের নারী দলের উপর।কারন বাফুফের নজর বলা যায় শুভ কিছু হয়না।

দেশের স্বার্থে মেয়েদের সঠিকভাবে নার্সিং করতে পারলে আজকের দলটি খুব শীগ্রই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধি করতে পারবে।