বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়


aasohan প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১৫, ২০২২, ৯:১৫ অপরাহ্ন /
বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়

এরা ছাত্রলীগ করে তো বাদ দাও!এদের শরীরে চামড়াজাত উন্নতমানের অপমান অপদস্ত মারলেও কিছু হবে না।কিন্তু এরা তো মানুষ??এরা তো এই দেশেই জন্মের পর এদেশের নাগরিক হয়ে আপনার ও আপনার স্যার বেতনের টাকা এদের পরিশ্রমের কর থেকে যায়।যার টাকায় এসি গাড়ি,এসি অফিস সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিচ্ছেন তার ব্যাপারে একটু ভাবতে হয়না?লজ্জা হওয়া উচিৎ। বিবেক থাকতে হয়।

বাদ দিলাম তারা ছাত্রলীগ করে কিন্তু তারা তো বাংলাদেশের নাগরিক।বাংলাদেশের দেশের আইনে সকল ক্ষমতার অধিকারী জনগণ বা (নাগরিক)সেই হিসেবে নাগরিকের সাথে আপনাদের আচরণ যথাযোগ্য হয়?প্রশ্ন থাকলো।

আসুন যাদের রায়ের মাধ্যমে সংসদে যান বাংলাদেশের প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদের একজন সদস্য হলেন একজন এমপি (মেম্বার অব পার্লামেন্ট)রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী।

যাদের দ্বারা সংসদে রাষ্ট্র পরিচালনা করার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসে।

 

সেই আইন প্রণয়নকারী বাংলাদেশের পদমর্যাদা ক্রম অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের পদমর্যাদা ১২ নম্বরে অবস্থিত। সংসদ সদস্য হিসেবে রাষ্ট্রের ১২ তম ব্যক্তি সেটা সকল পর্যায়ের।

তারপর আসুন আপনার অবস্থান বিসিএস পুলিশ ক্যাডারবে পঞ্চম গ্রেটের সদস্য।এবং বাংলাদেশের পদমর্যাদা ক্রম অনুযায়ী পদমর্যাদা পুলিশের সুপারের অবস্থান ২৫ তম।

পদমর্যাদা অনুযায়ী আপনি ২৫ তম হলে সংসদ সদস্য থেকে ১৩ তম পদমর্যাদার নিচের অবস্থান নিয়ে রাষ্ট্রের কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে দায়িত্ব দিয়েছেন সেই জনগণই।

আপনার উপরের স্যারকে যেভাবে ভোটের মাধ্যমে দায়িত্ব দিয়েছে রাষ্ট্রের নাগরিক ঠিক আপনিও সেই স্যারের চেয়েও ১৩ তম অবস্থান নিয়ে জেলায় সর্বোচ্চ কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পার্থক্যটা আমাদের বুঝতে হবে।আমাদের ভুলের জন্য বিভিন্ন এমপিরা পাশের চেয়ারে ওসিকে রেখে প্রোগ্রাম করে।ক্ষমতার পার্থক্য না জানলে সুশাসন কায়েম করা যাবে না।